উইন্ডোজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উইন্ডোজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০১০

উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন

উইন্ডোজ ড্রাইভ ফরমেট করে নতুন করে উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ করা অনেক ঝামেলার কাজ। কারন উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল করতে গেলে অনেক ধরনের তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম ইত্যাদি। যা অনেক সময় বিরক্তিকর এবং সময় সাপেক্ষ হয়। এছাড়া ইন্সটলের পর মাদারবোর্ড, ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদির ড্রাইভার ইন্সটল করতে হয়। আমি অনেকদিন থেকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার উপায় খুজছিলাম। একটি ভাল উপায় পেয়েছি তা হচ্ছে উইন্ডোজের কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখা। আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপির একটি কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখেন তাহলে প্রতিবার ইনষ্টল করার সময় এসব তথ্য দিতে হবে না, আবার ড্রাইভারগুলোও অটোমেটিক পেয়ে যাবে। চাইলে আপনি আপনার পছন্দের কোন থিমও ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া আপনার দরকারী কিছু সফটওয়্যার যা সবসময় আপনি ইন্সটল করে থাকেন যেমন : মিডিয়া প্লেয়ার, ফ্লাশ প্লেয়ার, ডিরেক্স এক্স, ফক্সি রিডার, উইন্ডোজ অফিস ইত্যাদিও চাইলে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটলের সাথেই যুক্ত করা সম্ভব। আমি এসব নিয়ে এখানে ধাপে ধাপে আলোচনা করব।

যা যা লাগবে :
১। nLite সফটওয়্যার।
২। মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০।
৩। উইন্ডোজ এক্সপি সিডি।

nLite সফটওয়্যার দিয়ে আপনি উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে পারবেন। ২.৫৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.nliteos.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এজন্য আপনার কম্পিউটারে মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০ সংস্করণ ইনষ্টল থাকতে হবে।

# প্রথমে nLite সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং ইংরেজী ভাষা নির্বাচিত রেখে Next বাটনে ক্লিক করুন।



# Location the Windows installation উইন্ডো থেকে Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটারে থাকা উইন্ডোজের লোকেশন (সরাসরি সিডি থেকে হবে না) দেখিয়ে দিন তাহলে উইন্ডোজের সকল তথ্য চলে আসবে।



# এবার Next বাটনে ক্লিক করে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন। Task Selection এ All বাটনে ক্লিক করে Next করুন।



# Service Pack উইন্ডোতে আপনি চাইলে এক্সপির সার্ভিস প্যাক ৩ যুক্ত করতে পারেন Select বাটনে ক্লিক করে। উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাকটি দেখিয়ে দিলেই এটি ইন্ট্রিগেট হয়ে যাবে।



# এরপরে Next করে Hotfixes, Add-ons and Update Packs
উইন্ডোতে নতুন Update Packs বা Add-ons যুক্ত করতে পারবেন।



কোথায় পাবো Hotfixes, Add-ons বা Update Packs??
১। RyanVM Post SP3 Update Pack.
২। www.winaddons.com
৩। Windows Updates Downloader
৪। TheHotfixShare
৫। MSFN
৬। SoftwarePatch

# Windows Media Player 11 যুক্ত করার জন্য WMP11 Integrator এবং WMP11 installer ডাউনলোড করুন। এরপর WMP11 Integrator এর সাহায্যে উইন্ডোজ এক্সপির সাথে Windows Media Player 11 যুক্ত করুন।

# Internet Explorer 7.0 যুক্ত করার জন্য IE7 ডাউনলোড করে nLite এর সাহায্যে .exe ফাইলটি যুক্ত করুন।

# এরপরে Next করে Drivers উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার (প্রিন্টার, ল্যান, গ্রাফিক্স, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদি) Insert করতে পারেন। আপনার যদি মাদারবোর্ডের সিডি বা অন্য যেকোন ড্রাইভার সিডি থাকে তবে শুধু সিডিটি দেখিয়ে দিলেই অটোমেটিকভাবে সব ড্রাইভার নিয়ে নেবে। অথবা http://driverpacks.net/ সাইট থেকে আপনি ড্রাইভার ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ইন্টেলের ড্রাইভার ডাউনলোড সাইট হচ্ছে http://downloadcenter.intel.com



# এবার Next করে করে Components উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্টগুলো নির্বাচন করুন এবং Next করুন। লাল চিহ্নিত Components গুলো গুরুত্বপূর্ন তাই এগুলো Disable না করাই ভাল।



# এরপরে Unattended উইন্ডোর General ট্যাবে গিয়ে Product Key দিন। এটি উইন্ডোজ এক্সপির সিরিয়াল নম্বর।



# এবার User ট্যাবে গিয়ে User Create করুন। এখানে আপনি আপনার নাম, একাউন্টের নাম, পার্সওয়ার্ড ইত্যাদি তথ্য দিয়ে দিতে পারবেন।



# Owner and Network ID ট্যাবে আপনি আপনার Computer Name এবং Workgroup দিয়ে দিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে LAN Networking করার সময় আপনার কাজে আসবে।



# Regional ট্যাবে গিয়ে আপনি আপনার Location, Localization, Timezone, Language group ইত্যাদি তথ্য দিয়ে দিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে ইন্সটলের সময় আপনাকে আর দিতে হবে না।



# এখন Next করে Options উইন্ডোর General ট্যাব থেকে প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন অপশনস পরিবর্তন করতে পারেন।



# Options উইন্ডোর Patches ট্যাব থেকে Maximum unfinished simultaneous connections সেট করুন ১০০ থেকে ১০০০ এর মধ্যে। USP Port Polling Frequency এ প্রয়োজনমত USP Polling Frequency সেট করুন। Unsighned Themes Support আপনাকে 3rd Party Themes ব্যবহার করতে দেবে সেক্ষেত্রে এটি Enable রাখুন। Windows File Protection এটি আদতে সুবিধাজনক মনে হলেও এটি Disable রাখাই আমার মনে হয়েছে ভাল, কারন প্রয়োজনে অনেকসময় Windows File চেঞ্জ করার দরকার হতে পারে।



# এবার Next করে Tweaks উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় টোয়ীক এবং সার্ভিস নির্বাচন করুন। এগুলো হচ্ছে উইন্ডোজের বেসিক সেটিং যেমন : ডেক্সটপে মাই কম্পিউটার আইকন থাকবে কিনা, উইন্ডোতে সাইড ম্যানুতে কি কি অপসন থাকবে, কন্ট্রোল প্যানেল কিভাবে সাজানো থাকবে ইত্যাদি।



# এর পরে Next বাটনে ক্লিক করলে Do you want to start the process? আসবে। Yes দিয়ে দিন, তাহলেই Process শুরু হবে।



# প্রসেস শেষ হলে Next করলে Bootable ISO উইন্ডো আসবে। এখান থেকে আপনি সরাসরি সিডিতে রাইট করতে পারবেন বা বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে পারবেন পরবর্তিতে রাইট করার জন্য। বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে Mode এ Create Image নির্বাচন করে Label লিখে Make ISO বাটনে ক্লিক করুন।



# এবার নির্দিষ্ট লোকেশন দেখিয়ে Save করুন।

ব্যাস এরপরে উক্ত ইমেজ সিডিতে রাইট করলেই হয়ে গেলো আপনার কাস্টমাইজ উইন্ডোজ এক্সপি।

এরপর থেকে আরো সহজে কাস্টমাইজ এক্সপি ইনষ্টল করতে পারবেন। আর উইন্ডোজ ভিসতাকে কাস্টমাইজ করতে আপনাকে ভিলাইট (www.vlite.net ) ব্যবহার করতে হবে।

আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন......

http://www.filehippo.com/download_flashplayer_ie/ (ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের জন্য)
http://www.filehippo.com/download_flashplayer_firefox/ (মোজিলা ফায়ারফক্সের জন্য)
http://www.filehippo.com/download_shockwave/
http://www.filehippo.com/download_java_runtime/
http://www.filehippo.com/download_directx/

৫. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম: পিসি পরিষ্কার রাখতে CCleaner এর কোন জুড়ি নেই। এটি নিমিষেই পিসির অপ্রয়োজনীয় ও টেম্পোরারী সব ফাইল মুছে ফেলে। বিভিন্ন সফটওয়্যার আপনার পিসিতে চলার সময় যে সমস্ত টেম্পোরারী ফাইল সৃষ্টি করে তাও সম্পূর্ণভাবে পরিস্কার করা সম্ভব CCleaner এ র মাধ্যমে। এছাড়াও এটি একটি কার্যকর রেজিস্ট্রি ক্লিনার।
Revo Uninstaller এরকম আরেকটি কাজের সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে যে কোন সফটওয়্যাকে পিসি থেকে আনইন্সটল করারা সুবিধা দেয় যা উইন্ডোজের Add Remove Program সুবিধাটি পারে না। যেসব সফটওয়্যারে আনইন্সটল হওয়ার পরেও হার্ডডিস্কে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও রেজিস্ট্রিতে Key রেখে যায় Revo Uninstaller সেসব সফটওয়্যারকেও নিমেষে আনইন্সটল করে, আনইন্সটল করে সেসব সফটওয়্যারও যেগুলো আনইন্সটল করার কোন অপশন থাকে না।
উইন্ডোজের Disk Defragment ব্যবস্থাটি একটি জলজ্যান্ত কৌতুক। প্রচন্ড ধীর গতির এই সুবিধাটির বদলে কোন থার্ড পার্টি Disk Defragment সফটওয়্যার ব্যবহার করুন, যেমন: Auslogics Disk Defrag বা Smart Defrag।

ডাউনলোড:

http://www.filehippo.com/download_ccleaner/
http://www.revouninstaller.com/revo_uninstaller_free_download.html
http://www.auslogics.com/en/software/disk-defrag/download
http://download.cnet.com/Smart-Defrag/3000-2094_4-10759533.html

৬. গাড়ি চলে না, চলে না.......ইন্টারনেট স্পিড: আমার কেন, কারো বাপেরও সাধ্য নাই আপনার ISP আপনাকে যা স্পিড দেয় তার চাইতে নেটের স্পিড বাড়িয়ে দিবে। সর্বোচ্চ যা করা সম্ভব তা হলো ISP আপনাকে যতোটুকু স্পিড দেয় তার পূর্ণ সদ্ব্যাবহার করা। প্রথম কথা, আপনি কি জেনুইন এক্সপি/ভিসতার মালিক? তাহলে উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট সক্রিয় রাখুন - না হলে আর এতো দাম দিয়ে লাইসেন্স কিনলেন কেন? আর যদি জেনুইন মালিক না হন তাহলে অটোমেটিক আপডেটরে CTN, বন্ধ কইরা রাখেন। সাধারণত ডিফল্ট ভাবে উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট ডাউনলোডের অপশনটি অন থাকে ও আপনাকে না জানিয়েই তা নেট থেকে আপডেট ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নেয়।



কি চমৎকার তাই না - এদিকে আপনি নেটের স্পিড কম কেন সেই রহস্য উদ্ধারে ব্যস্ত আর ঐদিকে সে আপনাকে না জানিয়ে চুপিচুপি আপডেট ডাউনলোড করছে। উইন্ডোজের জেনুইন অপারেটিং সিস্টেমের মালিক না হয়েও অটোমেটিক আপডেট অন রাখলে যা হইতে পারে তা হলো একদিন সকালে আৎকা পিসিতে ম্যাসেজ দেখবেন: You may be a victim of software counterfeiting. This Copy of Windows is not genuine.





আপনার পিসিতে যদি অলরেডি এইরকম কিছু দেখায় তবে সেটা সারানোর উপায় হলো এই ছোট সফটওয়্যারটি: http://www.softpedia.com/progDownload/RemoveWGA-Download-42782.html এটি ডাউনলোডের পর রান করলে একবার রিস্টার্ট চাইবে। ব্যস আপনার সমস্যা শেষ! তাই জেনুইন উইন্ডোজের মালিক না হলে আজই উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট অপশনটি বন্ধ করে দিন। আর যারা জেনুইন উইন্ডোজের মালিক তারা যে অপশনটি আপনাকে উইন্ডোজের আপডেট ডাউনলোড ও ইন্সটলের আগে করবেন কি করবেন না অপশন দেবে সেটি সিলেক্ট করে রাখুন:



এতো গেলো অটোমেটিক আপডেটের কথা। এবার আসুন বিভিন্ন সফটওয়্যারের আজাইরা নেট খাওয়া প্রসঙ্গে। আমাদের মধ্যে একাট বাজে স্বভাব হলো আমরা সফটওয়্যার সেটআপ দেয়ার সময় ভালো করে না দেখে/বুজেই সবকিছুতে টিক মার্ক দেই। তারপরে কি হইলো না হইলো আমাদের কোন হুঁশ থাকেনা। খুবই খারাপ কথা। আপনার পিসিতে কি হচ্ছে তা আপনার জানা থাকা দরকার। কিছু কিছু সফটওয়্যার অটোমেটিকালি নেটে একটু পর পর আপডেট খুঁজে, ডাউনলোড করে ও ইন্সটলও করে সেই আপডেট অথচ আপনি তার কিছুই জানেন না। মাঝখান দিয়ে দেখা যায় কোন গুরুত্বপূলর্ণ ডাউনলোড চলার সময় আপনার স্পিড স্লো করে দিচ্ছে। সফটওয়্যার ইন্সটলের সময় সবগুলো অপশন দেখে নিন, যেটা দরকার নেই সেটাতে টিকমার্ক দেবেন না বা সিলেক্ট করবেন না। অধিকাংশ সফটওয়্যারই ইন্সটলের সময় অপশন দেবে আপনি কি এই সফটওয়্যারের অটোমেটিক আপডেট হওয়া চান কিনা, আপনি কি চান আপনার পিসি থেকে তথ্য সে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠাক। যেমন: Google Chrome ইন্সটলের সময় এরম একটা অপশন থাকে যেটা বলে যে: Help make Google Chrome better by automatically sending usage statistics and crash reports to Google। মানে Google আপনার পিসি থেকে তথ্য তাদের কাছে নিবে সফটওয়্যারের উন্নতির জন্য।



ক্ষ্যাতা! আমাদের এইসব সমাজসেবার টাইম নাই। Google এর সফটওয়্যারের উন্নতির কাম তারাই করুক। আমরা হলাম লোভী End User, আমাদের কাজ পারফরম্যান্স দিয়ে।
তবে এ্যান্টিভাইরাসের ক্ষেত্রে অটো-আপডেট সক্রিয় রাখাটা জরুরী। ওটা আবার বন্ধ করে দিয়েন না। তবে চাইলে সিলেক্ট করে দিতে পারেন দিনের কোন সময়ে সে আপডেট হবে।

৭. আজাইড়া কিছু সফটওয়্যার যা এড়িয়ে চলবেন: অনেকেই নতুন উইন্ডোজ সেটআপ দিয়েই Power DVD আর WinDVD এর মতো ভারী ভারী সফটওয়্যার ইন্সটল করেন। আমি জিজ্ঞেস করি আপনার গ্রফিক্স কার্ড কি HD? আপনি কি Blu-ray ডিস্ক বা HD DVD চালাবেন পিসিতে? না চালালে ঐসব আজাইরা সফটওয়্যার ফালান। অনেককে দেখেছি ব্লগে অমুক ফাইল চালানোর জন্য প্লেয়ার খোঁজেন, কোডেক খোঁজেন। ক্ষ্যাতা! VLC Media Player বা KMPlayer পিসিতে ইন্সটল করে বসে থাকেন। দেখি আপনার আর কোন প্লেয়ারের দরকার পরে।
Adobe PDF Reader ব্যবহার করার দিনও শেষ হলো বলে। Adobe PDF Reader 7 পর্যন্ত এই সফটওয়্যারটির পারফরমেন্স দুর্দান্ত ছিলো। কিন্তু ভার্শন 8 থেকেই সফটওয়্যারটির পারফরমেন্স ক্রমাগত স্লো হতে থাকে ও 9 এ এসে তা চুড়ান্ত রূপ ধারন করে। তাই পরামর্শ হচ্ছে Adobe PDF Reader ব্যবহার না করে Foxit PDF Reader ব্যবহার করুন। সুখে থাকবেন।
ACDSee হলো আরেকটি আকাইম্যা সফটওয়্যার। ছবি দেখার জন্য এর চাইতে ঢের ছোট ও কার্যকর সফটওয়্যার আছে। তেমনই একটি হলো: IrfanView।
Windows Blind, Style XP নামক কিছু আজাইড়া সফটওয়্যার আছে যেগুলো পিসিতে চটকদার সব থিম চালাতে দেয় কিন্তু পিসি স্লো করে ও সিস্টেমের ডিফল্ট ফাইল মুছে ফেলে ১২টা বাজায়। এগুলারে CTN।

ডাউনলোড:

http://www.filehippo.com/download_vlc/
http://www.filehippo.com/download_kmplayer/
http://www.filehippo.com/download_foxit/
http://www.irfanview.com/main_download_engl.htm

৮. এ্যান্টিভাইরাস ও সুরক্ষা: এ্যান্টিভাইরাস কি ফ্রি ব্যবহার করবেন নাকি কিনে? যদি ফ্রি ব্যবহার করেন তবে নিচের যে কোন একটি বেছে নিন:

১. http://www.avast.com/eng/download-avast-home.html
২. http://www.free-av.com/
AVGও ফ্রি কিন্তু অত্যন্ত অকার্যকর এই এ্যান্টিভাইরাসটি ব্যবহারের কোন কারন আজ অব্দি খুঁজে পাইনি। ধীরে ধীরে এটি এ্যান্টিভাইরাস তেকে একটি কৌতুকে পরিণত হচ্ছে। একান্ত বাধ্য না হলে ব্যবহার করবেন না।

যদি কিনে ব্যবহার করেন তবে নিচের যে কোন একটি বেছে নিন:

১. http://www.kaspersky.com/downloads
২. http://www.filehippo.com/download_nod32/
৩. http://www.bitdefender.com/
না কিনে এগুলো ক্র্যাক করে ব্যবহার করতে চাইলে Kaspersky এর চেয়ে NOD32 ব্যবহার অনেক বেশি সুবিধাজনক। কারন Kaspersky কয়েকদিন পরপরই তাদের Key গুলো ব্ল্যাক লিস্টেড করে যে সমস্যাটা NOD32 এর ক্ষেত্রে নেই।
যারা চিন্তা করছেন এই তালিকায় Mcafee আর Norton কোথায় তারা চোখে-মুখে পানি দিয়ে আসুন। Mcafee, Norton কে এখন আর কার্যকর এ্যান্টিভাইরাস তো দূরে থাক, এ্যান্টিভাইরাসই বলা যায় না। কিন্তু আপনি যদি পুরনো জিনিসের সৌখিন হয়ে থাকেন তাহলে ব্যবহার করুন।

এ্যান্টিস্পাইওয়্যার সফটওয়্যারের মধ্যে নিম্নের দু'টিই ইন্সটল দিন কারন সব এ্যান্টিস্পাইওয়্যারই যে সব স্পাইওয়্যার আর ম্যালওয়ার ডিটেক্ট করতে পারবে এমন কোন কথা নেই:

১. http://www.download.com/Malwarebytes-Anti-Malware/3000-8022_4-10804572.htm/
২. http://www.superantispyware.com/download.html/

৯. এতোকিছুর পরও পিসি স্লো কেন? অনেকের পিসিতেই স্টার্টআপে অর্থাৎ পিসি চালু হবার সময় একাধিক সফটওয়্যার সয়ংক্রিয়ভাবে একসাথে চালু হয়। সেগুলোর অধিকাংশই আবার টাস্কবারে ঘাপটি মেরে বসে থাকে। এটি আপনার সিস্টেমকে প্রচন্ড স্লো করে দেবে তা আপনার RAM যতো বেশিই হোক না কেন:



স্টার্টআপে এসব অবাঞ্ছিত প্রোগ্রাম চালু হওয়া বন্ধ করতে Start Menu থেকে Run অপশনে গিয়ে লিখুন msconfig। Enter চাপুন। এবারে Startup নামক ট্যাবটিতে গিয়ে যেগুরো দরকার সেগুলো বাদে বাকিগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply করুন। এ কাজটি CCleaner দিয়ে আরো সহজে করা সম্ভব।

১০. সবশেষে: ডেস্কটপে আইকন যতোটা সম্ভব কম রাখুন। দরকার হলে ডেস্কটপে আলাদা আলাদা ফোল্ডার করে তাতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলোর শর্টকাট রাখতে পারেন। ফোল্ডারগুলোর নাম হতে পারে ক্যাটাগরি অনুযায়ী, যেমন: Internet Softwares, Utility Softwares, Graphics Softwares, Players & Converters, Games প্রভৃতি। এরকম ফোল্ডার Start Menuতেও করতে পারেন All Programs তালিকাটি বড় হওয়া ঠেকাতে।
নেটে কিছু একটা দেখলেই সেটা ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন। ডাউনলোডের আগে যথাসম্ভব যাচাই করে নিন। সন্দেহজনক মনে হলে বিরত থাকুন।
ফায়ারফক্স ব্যবহার করলে সাথে Adblock Plus এ্যাড-অনটি ব্যবহার করুন। এতে করে বিভিন্ন ওয়েবপেইজে থাকা অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপণগুলো লোড হওয়া থেকে রেহাই পাবেন আপনি। অনেক পপ-আপ উইন্ডো ওপেন হওয়াও ঠেকানো যাবে এভাবে।
অপারেটিং সিস্টেম যে ড্রাইভে আছে অর্থাৎ C ড্রাইভে নিতান্তই ঠেকায় না পড়লে ও যে সফটওয়্যারগুলো অন্য ড্রাইভে ইন্সটল দেয়া যায় না সেগুলো বাদে আর কোন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার C ড্রাইভে ইন্সটল দেবেন না। সব গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও সফটওয়্যারের ব্যাকআপ C বাদে অন্য কোন ড্রাইভে রাখুন।
সিস্টেমের প্রয়োজনীয় সকল ড্রাইভারের সিডি হাতের কাছে রাখুন যাতে নতুন করে উইন্ডোজ সেটআপ দিলে নিমিষেই ড্রাইভারগুলো ইন্সটল করতে না পারেন। নতুন পিসি নেওয়ার সময় এই ড্রাইভারের সিডিগুলো বিক্রেতার কাছ থেকে বুঝে নিন। না হলে পরে মহা বিপদে পড়বেন। দেখা যাবে ড্রাইভারগুলো নেট থেকে ডাউনলোডের জন্য নেটে ঢুকতে পারছেন না কারন পিসিতে ল্যান ড্রাইভারটিও ইন্সটল করা নেই।

চলুনতো দেখী হারানো সিস্টেম ফাইলকে আবার ফিরে পেতে পারি কী না কোনো সফটওয়্যার ব্যাবহার ছাড়াই?

আপনারা সবাই কী ভাল আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমরা সবাই বিভিন্ন সময় না বুঝে অথবা বুঝে কম্পিউটার হতে নানা ফাইল কেটে ফেলি অথবা বুঝে অথবা না বুঝে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইনস্টল করে তাকি। যার কারণে পরবতীতে আমাদেরকে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই এবং ঐ সব সফটওয়্যারকে রিমোভও করা যায় না। এই মূহুতে আমরা যদি কম্পিউটার বিষয়ে খুব বেশী একটা না জানি তাহলে চলে যাই কোনো কম্পিউটার ইনজ্ঞিনিয়ারের কাছে নিয়ে যাই। আর যাদের মোটামোটি ভাল জ্ঞান আছে তারা বসে পরি উইন্ডোজ সফটওয়্যারটি আবার ইনস্টল করার জন্য। কিন্তু আমরা কী জানি একবার উইন্ডোজ ইনস্টল করলে Hard Disk এ কতটুকু চাপ পরে। আমার পরিচিত অনেক কম্পিউটার ইনজ্ঞিনিয়ার আছে। আমি এই বিষয়টা তাদেরকে বলি কিন্তু তারা সকলেই বলে এই অবস্থায় উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কিন্তু আসলেই কী কোনো উপায় নেই? আমার উত্তর হল উপায় আছে। আর এই উপায়টিই আমি আপনাদের সামনে বলব।

আমরা অনেকেই Computer System Restore সমন্ধে জানি আবার অনেকেই জানি না। যারা এটি জানি তারাও ঠিক মত জানি না যে এর সাহায্যে সিস্টেম সংক্রান্ত হারানো ফাইল ফিরে পাওয়া সম্ভব।

এখন হল আসল কথা। Computer System Restore কী? সাধারণত কম্পিউটারের সেটিং প্রতিনিয়ত পরিবতন হয়। আর কম্পিউটার এই পরিবতনগুলো লিখে রাখে। এখানে লিখা তাকে কী পরিবতন হয়েছে, পরিবতনের আগে কী ছিল ইত্যাদি। আর System Restore ঐ লিখা গুলো পড়ে এবং কম্পিউটারকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসে।

সিস্টেম রিস্টর কিভাবে করবেন? সিস্টেম রিস্টর করতে হলে প্রথমেই আপনাকে সিস্টেম রিস্টর সেটিংকে অন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে প্রথমে মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করতে হবে এবং Properties এ ক্লিক করতে হবে। তারপর  System Restore ট্যাব এ যেতে হবে। সেখানে দেখতে পাবেন Turn off System Restore of all drive এবং তাতে রাইট চিহ্ন দেওয়া এই রাইট চিহ্নটি উটিয়ে দিতে হবে বেস কাজ হয়ে গেল। আসা করি এই বিষয় বুঝতে আর কোনো সমস্যা নেই। তারপরো যদি সমস্যা তাকে তাহলে এই লিংকটা আপনাকে সহায়তা করতে পারবে।

কম্পিউটার নিজে নিজেই মূলত পরিবতনগুলোকে লিখে রাখে। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন পরিবতন লিখে না। তাই আপনি কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে সিস্টেম রিস্টর পয়েন্ট তৈরী করে রাখতে পারেন। তাহলে পরবতিতে যদি এই ইনস্টল করা সফটওয়্যারটি সমস্যা করে তখন সিস্টেম রিস্টর ব্যবহার করে আগের অবস্থানে ফিরে যেতে পারবেন। অথবা আপনি যখন মনে করবেন আপনার কম্পিউটারটি একটি ভাল অবস্থানে আছে তখনও আপনি চাইলে সিস্টেম রিস্টর পয়েন্ট করতে পারেন। এবং যখন খুশী আগের স্থানে যেতে পারবেন। সিস্টেম রিস্টর পয়েন্ট করার জন্য প্রথমে সিস্টেম রিস্টর প্রোগ্রামটি চালু করুন। এর জন্য Start Button এ ক্লিক করুন। তারপর Program Files—Accessories--System Tools এ যান। এবং সবশেষে System Restore এ ক্লিক করুন। তখন System Restore প্রোগ্রামটি হাজির হবে। এখন কোনো রিস্টর পয়েন্ট তৈরী করার জন্য Create a restore point এ ক্লিক করুন এবং Next এ ক্লিক করুন। তারপর পয়েন্ট এর নাম দিন এবং যথাযথ কাজগুলো করুন। এভাবে আপনি সহজেই System Restore Point তৈরী করতে পারবেন।

এখন প্রশ্ন হল System Restore কিভাবে করবেন। এর জন্য প্রথমে System Restore চালু করুন। এবং System Restore সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করুন। এবং রিস্টর পয়েন্ট সিলেক্ট করুন। এবং আবার Next এ ক্লিক করুন। তখন যথাযত কাজগুলো করুন। এখন কম্পিউটারটি রিস্টারট হবে এবং System Restore এর কাজ সম্পূন্ন হবে।
হইতে
মো. রানা হামিদ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

রিসাইকেল বিন অপসারণ

ডেস্কটপ থেকে রিসাইকেল বিন অপসারণ করাঃ

যদি ডিলিট করা ফাইলকে স্টোর করার জন্য রিসাইকেল বিন ব্যবহার করতে না চান, তাহলে এর ডেস্কটপ আইকনকে সম্পূর্ণভাবে দূর করতে পারেন নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করে :

* Start->Run-এ গিয়ে regedit টাইপ করে এন্টার প্রেস করলে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন হবে।
* এবার HKEY_LOCAL_MACHINE/ SOFTWARE/Microsoft/Windows/ CurrentVersion/explorer/Desktop/NameSpace -এ নেভিগেট করুন।
* ডান দিকের প্যানে Recycle Bin স্ট্রিং-এ ক্লিক করুন।
* Del-এ ক্লিক করে ওকে করুন।

এই ব্লগটি সন্ধান করুন